দুই দেশ, ছয় রাজ্য, দুই চাকা, পাঁচ হাজার একশো কিলোমিটার ও এক পাগলঃ পর্ব ৬

– পোষাচ্ছিল না, বুঝলেন। কর্পোরেট জগতটা শালা এত বেশি হারামিতে ভর্তি, চোখের সামনে ম্যানেজারের খচরামির জন্য দুরন্ত টেকনিকাল জনতাকে একের পর এক কম্পানি বদলাতে দেখেছি, ভেবেছিলাম আমি অন্য রকমের ম্যানেজার হব, কিন্তু কর্পোরেট কালচার শালা বিষ মাল, আমাকেও ওই রকমের খচ্চর হবার জন্য চাপ দিতে শুরু করেছিল। সহ্য করা একেক সময়ে অসম্ভব হয়ে দাঁড়াত। সিকিম আমাকে মুক্তি দিয়েছে। আমি খুশি, খুব খুশি। যা কামাতাম, তার থেকে সামান্য কম কামাই এখানে, কিন্তু এ তো আর দিল্লি নয়, যা রোজগার হয় তাই দিয়ে আমার দিব্যি চলে যায়। ভালো সেভিংস হয়। জানুয়ারিতে এসেছিলাম, আর দিল্লি যাই নি, দেখি, আসছে জানুয়ারিতে হয় তো যাবো একবার। … More দুই দেশ, ছয় রাজ্য, দুই চাকা, পাঁচ হাজার একশো কিলোমিটার ও এক পাগলঃ পর্ব ৬

দুই দেশ, ছয় রাজ্য, দুই চাকা, পাঁচ হাজার একশো কিলোমিটার ও এক পাগলঃ পর্ব ৫

কেসটা কী? এমনও হয় নাকি? কোনও পেপার, ডকুমেন্ট শো করাতে পারেন নি কি তাঁরা? কান পেতে শুনে যা বুঝলাম, তাঁরা পরের দিন ছাঙ্গু আর নাথু লা যেতে চান। মানে, ইস্ট সিকিম। এখন, নাথু লা-ছাঙ্গু প্রতি সোম আর মঙ্গলবার সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ থাকে, সেদিন কোনও ভিজিটর অ্যালাওড নয়। সহায়ক ভদ্রলোক বলছেন, আপনারা অন্য কোথাও ঘুরে নিন কালকের দিনটা, আমি পরশুর জন্য পারমিট করে দিতে পারব, এদিকে এনাদের পরের দিনেরই বুকিং আছে জুলুকে, এবং তার পরের দিনই ফেরার রাস্তা ধরতে হবে, হাতে এই একটা দিনই। তাই আকুতি, প্লিজ পারমিট দিয়ে দিন, আর ভদ্রলোক একটানা বলে যাচ্ছেন – কী করে দিই, এটা তো আর্মির রুল, ওরা অ্যালাও করবে না, দেবার নিয়ম নেই – … More দুই দেশ, ছয় রাজ্য, দুই চাকা, পাঁচ হাজার একশো কিলোমিটার ও এক পাগলঃ পর্ব ৫

দুই দেশ, ছয় রাজ্য, দুই চাকা, পাঁচ হাজার একশো কিলোমিটার ও এক পাগলঃ পর্ব ১

একবার গাজিয়াবাদে ট্রাই করে দেখি। এখানেও তো স্মার্ট কার্ড সিস্টেম হয়ে গেছে। যদি কম নেয়। – গেলাম পাড়ার মোটর ট্রেনিং স্কুলে। সে লোকটি মহাজ্ঞানী। জিজ্ঞেস করলাম, আমার তো ভ্যালিড লাইসেন্স রয়েছে, গাজিয়াবাদেরই। আমাকে কি আবার লার্নার থেকে শুরু করতে হবে? লোকটি শুনে খুবই অবাক হয়ে বলল, লা লাইসেন্স আছে তো আবার স্মার্ট কার্ড করাচ্ছো কেন? ওটা দিয়েই চালিয়ে নাও। বললাম, ভূটান যাবো, এই এই ব্যাপার। শুনেই সে খুব উত্তেজিত হয়ে বলল, আচ্ছা আচ্ছা, ভূটান মতলব ও লাদাখ কে পাস জো গাঁও হ্যায় না? উধার জানে কে লিয়ে স্মার্ট কার্ড নেহি চাহিয়ে হোতা হ্যায়। … More দুই দেশ, ছয় রাজ্য, দুই চাকা, পাঁচ হাজার একশো কিলোমিটার ও এক পাগলঃ পর্ব ১

বরফ ঢাকা স্পিতি – তৃতীয় পর্ব

মিনিট তিনেক দাঁড়িয়ে দম নিলাম, নিশ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক হলে উল্টোদিকে গিয়ে খুব জোর করে বাইকটাকে তুলে সোজা করবার চেষ্টা করলাম। দম একেবারে আটকে যাচ্ছে, চোখ ঠেলে বেরিয়ে আসবে মনে হচ্ছে, হৃদ্‌পিণ্ডটা প্রায় গলার কাছে এসে আটকে গেছে, এতটা কষ্টকর কাজ একটা শুয়ে থাকা বাইককে তুলে দাঁড় করানো? … আবার শরীরের সমস্ত জোর লাগালাম। আবার, আবার – তিন বারের চেষ্টায় বাইক সোজা হয়ে দাঁড়ালো, ঝটিতি সাইড স্ট্যান্ড দিয়ে আমি বাইকের গায়েই হেলান দিয়ে পুরো জিভ বের করে হ্যা-হ্যা করে হাঁফাতে লাগলাম। … More বরফ ঢাকা স্পিতি – তৃতীয় পর্ব

বরফ ঢাকা স্পিতি – দ্বিতীয় পর্ব

কেয়ারটেকার এক বৃদ্ধ সর্দারজি, ঠেঁট পঞ্জাবী ছাড়া আর কিছুই বলতে পারেন না। নাম বলতেও হল না, দিল্লি সে আ রহা হুঁ বলতেই – হাঞ্জি হাঞ্জি এক রুম রাক্‌খিয়াসি টাইপের কিছু বলে আমাকে তালা খুলে ঢুকিয়ে দিলেন এক ঢাউস রুমের ভেতর, ভেতরে অন্তত গোটাতিনেক টেবিল টেনিস বোর্ড পাশাপাশি রাখার জায়গা হয়ে যায়। ইয়া উঁচু সিলিং, ছাদ থেকে প্রায় মেঝে ছোঁয়া জানলা, স্বচ্ছ কাঁচ, তাতে মোটা পর্দা লাগানো। বাথরুমও অনুরূপ, মাইনাস পর্দা। মানে, সেখানেও একটা ঢাউস জানলা, তাতে ঝকঝকে কাঁচ লাগানো, কিন্তু পর্দা টর্দা নেই। মানে বাইরে থেকে বাথরুমের ভেতরটা পুরোটাই দৃশ্যমান। … More বরফ ঢাকা স্পিতি – দ্বিতীয় পর্ব

একলা পথে চলা আমার …

গাজিয়াবাদ পেরিয়ে আনন্দ বিহার, সেখান থেকে হসনপুর ডিপো, কড়কড়ডুমা, গীতা কলোনি পেরোলেই লালকেল্লার পাঁচিল, সোজা রাস্তা চলে গেছে উত্তর পশ্চিম দিকে। জম্মু যাও বা শিমলা কুলু মানালি, একটাই রাস্তা। একটু এগোতেই আইএসবিটি কাশ্মীরি গেট। দিব্যি এগোচ্ছিলাম, হঠাৎ পেছন থেকে অনবরত পিঁপ পিঁপ পিঁপ করে হর্ন বাজার শব্দ, পেছনে দ্রুতবেগে এগিয়ে আসছে একটা মোটরসাইকেল। সওয়ারির মাথায় হেলমেট নেই। ভোর পাঁচটা দশ, রাস্তাঘাট তখনও জনশূন্যই বলা চলে, একটু ভয় পেলাম, বাইক স্লো করে প্রথমেই দেখে নিলাম পেছনের বাইকের নাম্বারপ্লেট আছে কিনা। সাধারণত অপরাধ যারা করে হাইওয়েতে, তাদের নাম্বারপ্লেট খোলা থাকে। … না, আছে। দাঁড়ালাম, বাইক চালু রেখে এবং গীয়ার ফার্স্ট পজিশনে রেখে, যাতে দরকার পড়লেই ক্লাচ ছেড়ে বেরিয়ে পড়তে পারি। একবার দেখেও নিলাম – সামনের রাস্তাটা ফাঁকা আছে। … More একলা পথে চলা আমার …

স্বপ্নপূরণের কাহিনি, অথবা স্বপ্ন দেখার শুরু

স্বপ্নেরা দানা বাঁধছে, তারা আস্তে আস্তে আকার পাচ্ছে। সামনে দুটো খুব বড় বড় চ্যালেঞ্জ, মাস তিনেকের ছুটির ব্যবস্থা করা, আর টাকা পয়সার জোগাড় করা। হয় তো সাত আট লাখ টাকায় হয়ে যাবে, হয় তো তার কমেই হয়ে যাবে। এবং আমি এটা জানি – আমাকে নিংড়ে ফেললেও এ টাকা বেরোবে না। আমাকে তাই সবার সাহায্যের ওপর নির্ভর করতে হবে। এই ট্রিপ, যদি বড় কোনও স্পনসর না পাই, তা হলে আমাকে ক্রাউড-ফান্ডিংএর ব্যবস্থা করতে হবে। বড় স্পনসরের চেষ্টাও করব। … More স্বপ্নপূরণের কাহিনি, অথবা স্বপ্ন দেখার শুরু

জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – দ্বাদশ ও শেষ পর্ব

ঘুম, কিন্তু ঘুম নয়, আধঘুম যেন, ঘুমের মধ্যেই শুনতে পাচ্ছি, ধাবার ভেতরে বক্সে পুরনো দিনের হিন্দি গান বাজছে – মহম্মদ রফি, আশা ভোঁসলে, এটা কি বাণী জয়রাম? – শুনতে পাচ্ছি, ওরা লস্যি খাবে বলছে, – শুনতে পাচ্ছি, ধাবার মালিক বলছে, গরমি বহোত হ্যায়, য়ঁহা সে দো কিলোমিটার আগে এক নহর হ্যায়, বঁহা ঠন্ডা পানি মিলেগা, চাহো তো জা কর নহা কে আ জাও। -শুনতে পাচ্ছি, ওরা বলছে, দরকার নেই – শুনতে পাচ্ছি, ওরা খাবার অর্ডার দিচ্ছে। কী রকম একটা বেহুঁশ অবস্থায় ছিলাম, খানিকক্ষণের জন্য। ধীরে ধীরে ঘোরভাবটা কাটল। উঠে জল চাইলাম। পর পর দু গ্লাস জল খেলাম। … More জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – দ্বাদশ ও শেষ পর্ব

জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – একাদশ পর্ব

দাঁড়ালে তাও দু চারটে কথা বলার সুযোগ জোটে, একনাগাড়ে চলতে থাকলে খানিক বাদে একটা একঘেয়েমি গ্রাস করে। এই অন্ধকার, ট্রাকের সাথে নেগোশিয়েশন – মাথাটা কেমন যেন জ্যাম হয়ে যায়। নিজের মনেই একটা গান ধরলাম, তারপরে কী মনে হল, গানটা থামিয়ে মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল একটা ছড়া – একেবারেই আনরিলেটেড, আমাদের ছোটো নদী চলে আঁকেবাঁকে, বৈশাখ মাসে তার হাঁটুজল থাকে। যতটা মনে ছিল, বিড়বিড় করে বকলাম, তার পরেই মাথায় এল জব কোই বাত বিগড় জায়ে – খানিক পরে খেয়াল করলাম আমি আবার ছড়া বলছি – আমি যখন ছোট ছিলাম, খেলতে যেতাম মেঘের দলে। … More জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – একাদশ পর্ব

জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – দশম পর্ব

কিন্তু কোথা হইতে কী হইয়া গেল, একটা জায়গায় এসে – বুঝতে পারি নি, বাইকের চাকা চলে গেল বরফের ওপরে, দুদিকে এবং রাস্তার মাঝেও চাপ চাপ বরফ, জাস্ট সামনের গাড়ির টায়ারের দাগ ধরে চলা উচিত এইসব রাস্তায়, চলছিলামও তাই, কিন্তু বরফে একবারের জন্য চলে গেল সামনের চাকা, স্কিড করল, আমি ব্যালেন্স হারালাম, এবং ছিটকে পড়লাম। … More জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – দশম পর্ব

জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – নবম পর্ব

আমি, বিবেক আর প্রিয়াঙ্কা মিলে আলোচনায় বসলাম আবার। কী করা উচিত। আমি বললাম, ওয়র্স্ট কেস ধরে নিয়ে প্ল্যান করা উচিত। আমরা এগবো, যদি খারদুং গ্রামে ঘর না পাই, তা হলে আবার পঁচিশ কিলোমিটার ফিরে আসতে হবে। এখান থেকে লে একশো পঁচিশ কিলোমিটার। আমার কাছে যা তেল আছে, তাতে লে পর্যন্ত পৌঁছনো যাবে, তবে এর পরে অর্ধেক রাস্তা আপহিলস, তেল বেশি টানবে, তাই ওয়র্স্ট বিবেচনা করতে হলে আগে তেলের খোঁজ নিতে হবে। তেল পাওয়া গেলে এক রকমের প্ল্যান, না পেলে আর কোনও রিস্ক নেবার নেই, আমরা এখানেই রাতে থেকে যাবো। … More জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – নবম পর্ব

জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – অষ্টম পর্ব

প্রথমে সুমিত, তারপরে আমি, তারপরে বিবেক জড়িয়ে ধরলাম ওকে। গুরু, কী করেছো? ছবি তুলব কী, নিজের চোখকে তখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। গুরদীপ, জাস্ট কিছুই হয় নি, এই রকম একটা ভাবে হেসে বলল, কোই বড়ি বাত নেহি, আমি মাউন্টেনিয়ারিং-এর ট্রেনিং নিয়েছিলাম কিছুদিন। এইটুকু নামাওঠা তো আমার কাছে সাধারণ ব্যাপার।

আমি তখন ভাষা হারিয়ে ফেলেছি, কী বলব কিছু বুঝতে না পেরে ওর হাতদুটো চেপে ধরলাম। জাস্ট দুটো গ্লাভসের জন্য এত বড় ঝুঁকি নিতে পারে কেউ! একটা সম্পূর্ণ অপরিচিত লোকের জন্য। দুদিনের আলাপ, দুদিন বাদেই আবার যে যার বাড়ি চলে যাব, আর কোনও দিনও দেখা হবে কিনা ঠিক নেই – আমি পারতাম? … More জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – অষ্টম পর্ব

জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – সপ্তম পর্ব

বাকিরা একটু পেছনে ছিল। তারা এসে পৌঁছনো পর্যন্ত আমি ওই পা-চাপা অবস্থাতেই রাস্তায় পড়ে রইলাম – হার্ডলি দেড় মিনিট। তারা এসে আমার বাইক তুলে আমাকে উদ্ধার করল। লাগে নি একটুও, কিন্তু দাঁড়াবার পরে খেয়াল করলাম, আমার বাঁ-পায়ের নী-গার্ডটা ফেটে দু টুকরো হয়ে গেছে। … অর্থাৎ, নী-গার্ডের জন্য আমার পা বেঁচে গেছে, আমি টেরও পাই নি। নী গার্ড না থাকলে আমার মালাইচাকিটা ফাটত। … More জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – সপ্তম পর্ব

জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – ষষ্ঠ পর্ব

আমিও ত তাইই জানি, এমন ওয়েদার হয় না লে-তে। লাদাখ বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল। বৃষ্টি এখানে হয় না, তাই যখন সারা ভারত প্রার্থনা করে ভগবানের কাছে, আল্লা ম্যাঘ দে, পানি দে বলে, লাদাখিরা প্রার্থনা করে, ঠাকুর, গ্লেসিয়ার থেকে জলের সাপ্লাই অব্যাহত রেখো। ওরা কখনও বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করে না। লে-তে বেশির ভাগ বাড়িই পাথরের ওপর মাটির প্রলেপ দিয়ে বানানো। এইখানে তেড়ে বৃষ্টি হলে কী হয় সে আমরা দেখেছি ২০১০ সালে। ফ্ল্যাশ ফ্লাডে লে শহর প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছিল। … … More জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – ষষ্ঠ পর্ব

জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – পঞ্চম পর্ব

কিন্তু রোমান্টিসিজম বেশিক্ষণ থাকল না। তুষারপাতের মধ্যে দিয়ে গাড়ি চালানো মোটেও সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। একটু এগোতেই বুঝতে পারলাম, করোল বাগ থেকে কেনা স্পেশাল গ্লাভসের ভেতরে আমার আঙুলগুলো জমে গেছে, তীব্র যন্ত্রণা হচ্ছে প্রতিটা আঙুলের ডগায়, এদিকে হেলমেটের সামনের কাচে বাইরের দিকে ছিটে লেগে লেগে জমা হচ্ছে বরফ, একটু বাদে বাদেই সামনেটা অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ভেতরেও নাক থেকে বেরনো নিশ্বাসের জলীয় বাষ্প কাচের ভেতরে জমে আরও ঝাপসা করে দিচ্ছে। গ্লাভসে করে কাচের বাইরেটা সাফ করছি, গ্লাভস সাদা হয়ে যাচ্ছে বরফের চাঙড়ে, চলন্ত অবস্থাতেই পায়ের ওপর হাত থাবড়ে গ্লাভস থেকে বরফ ঝরাচ্ছি, আবার খানিক বাদে একই অবস্থা, কাচ ঝাপসা, আবার গ্লাভসে করে বরফ সরানো … … More জুলে, আবার, জুলে লাদাখ – পঞ্চম পর্ব