পার্সপেকটিভের সাতকাহন

দশ কেন, একশোটা মিথ্যে দিয়েও যখন মিথ্যেটা চাপা যাচ্ছে না, তখন কী করা যায়? একটাই উপায় – পার্সপেকটিভটা বদলে দাও। ভক্তজন তো পার্সপেকটিভ বদলাতে ওস্তাদ, জেএনইউ এপিসোডে আমরা সেটা খুব ভালোভাবেই দেখেছি, সে হ্যাংওভার থেকে বেশির ভাগ দেশবাসীই এখনও বেরিয়ে আসতে পারেন নি। এবারের পার্সপেক্টিভও তাই হল – দুটো ডিগ্রি দিয়ে কী এসে যায়? মানুষটা কেমন কাজ করছেন, সেটাই মুখ্য হওয়া উচিত নয় কী? ভারতের ইতিহাসে অনেক বড় বড় রাজা বা নেতা এসেছেন, যাঁদের প্রথাগত শিক্ষাদীক্ষা কিছুই ছিল না, তবু ইতিহাস তাঁদের মনে রেখেছে দক্ষ, সু-শাসক হিসেবে। কেন দুটো ডিগ্রির কাগজ আসল না নকল তাই নিয়ে মাথার চুল ছিঁড়ে মরছি আমরা? ওতে কী বাড়তি প্রমাণ বা অপ্রমাণ হবে? … More পার্সপেকটিভের সাতকাহন

মন কি বাতঃ এক দেশদ্রোহীর জবানবন্দী (প্রথম পর্ব)

লিখতে হল এই কারণে, কারণ, কাশ্মীরের এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটটা না জানলে বোঝা সম্ভব নয়, কোন আইডিওলজি, কোন আদর্শ থেকে আফজল গুরুরা আসে, জন্ম নেয়, ঢুকে পড়ে আমাদের নিরাপদ রাষ্ট্রের ঘেরাটোপের ভেতর। এই সোশাল নেটওয়ার্কেই, আমার পরিচিত বন্ধু, প্রিয় লোকজন, তাঁরাও দেশপ্রেম আর দেশদ্রোহের দ্বন্দ্বে উত্তাল গত এক সপ্তাহ ধরে। সমস্ত ঘটনাপ্রবাহে সম্যক মন না দিয়ে, পূর্বাপর ইতিহাস না জেনে, না পড়ে, কিছু মনগড়া ধারণা আর কিছু মিডিয়ার খাওয়ানো খবরের ভিত্তিতে তাঁরা তৈরি করছেন তাঁদের নিজস্ব মতবাদ। মতাদর্শ বলাই ভালো। খুব কনভিনিয়েন্টলি ঘেঁটে দেওয়া হচ্ছে প্রতিবাদ, প্রতিবাদের কনটেক্সট, এবং চলছে বাজারে সহজলভ্য কিছু স্টিকার নিয়ে এর ওর গায়ে সেঁটে দেওয়ার প্রক্রিয়া। তুই দেশদ্রোহী। তুমি দেশপ্রেমিক নও। আপনি আফজল গুরুকে সাপোর্ট করছেন। … More মন কি বাতঃ এক দেশদ্রোহীর জবানবন্দী (প্রথম পর্ব)