বরফ ঢাকা স্পিতি – পঞ্চম পর্ব

প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পর্বের পর এর পর? এর পর আর কী-ই বা থাকতে পারে লেখার? ছ’টা না আটটা রুটি খেয়েছিলাম মনে নেই, কিন্তু সেই হাড় হিম করা ঠাণ্ডা রাতে সদ্য কুকার থেকে নামানো চিকেন কষা আর গরমাগরম ফুলকো রুটি উনুনের পাশে বসে খেতে যে কী আনন্দ, কী বলব! বরফের রাজ্যে আপাতত আজই শেষ … More বরফ ঢাকা স্পিতি – পঞ্চম পর্ব

বরফ ঢাকা স্পিতি – তৃতীয় পর্ব

মিনিট তিনেক দাঁড়িয়ে দম নিলাম, নিশ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক হলে উল্টোদিকে গিয়ে খুব জোর করে বাইকটাকে তুলে সোজা করবার চেষ্টা করলাম। দম একেবারে আটকে যাচ্ছে, চোখ ঠেলে বেরিয়ে আসবে মনে হচ্ছে, হৃদ্‌পিণ্ডটা প্রায় গলার কাছে এসে আটকে গেছে, এতটা কষ্টকর কাজ একটা শুয়ে থাকা বাইককে তুলে দাঁড় করানো? … আবার শরীরের সমস্ত জোর লাগালাম। আবার, আবার – তিন বারের চেষ্টায় বাইক সোজা হয়ে দাঁড়ালো, ঝটিতি সাইড স্ট্যান্ড দিয়ে আমি বাইকের গায়েই হেলান দিয়ে পুরো জিভ বের করে হ্যা-হ্যা করে হাঁফাতে লাগলাম। … More বরফ ঢাকা স্পিতি – তৃতীয় পর্ব

বরফ ঢাকা স্পিতি – দ্বিতীয় পর্ব

কেয়ারটেকার এক বৃদ্ধ সর্দারজি, ঠেঁট পঞ্জাবী ছাড়া আর কিছুই বলতে পারেন না। নাম বলতেও হল না, দিল্লি সে আ রহা হুঁ বলতেই – হাঞ্জি হাঞ্জি এক রুম রাক্‌খিয়াসি টাইপের কিছু বলে আমাকে তালা খুলে ঢুকিয়ে দিলেন এক ঢাউস রুমের ভেতর, ভেতরে অন্তত গোটাতিনেক টেবিল টেনিস বোর্ড পাশাপাশি রাখার জায়গা হয়ে যায়। ইয়া উঁচু সিলিং, ছাদ থেকে প্রায় মেঝে ছোঁয়া জানলা, স্বচ্ছ কাঁচ, তাতে মোটা পর্দা লাগানো। বাথরুমও অনুরূপ, মাইনাস পর্দা। মানে, সেখানেও একটা ঢাউস জানলা, তাতে ঝকঝকে কাঁচ লাগানো, কিন্তু পর্দা টর্দা নেই। মানে বাইরে থেকে বাথরুমের ভেতরটা পুরোটাই দৃশ্যমান। … More বরফ ঢাকা স্পিতি – দ্বিতীয় পর্ব

বরফ ঢাকা স্পিতি – প্রথম পর্ব

সেই যে ভোররাতে একলা বেরিয়ে পড়েছিলাম লাদাখের উদ্দেশ্যে, সে ছিল দু হাজার পনেরো সাল। সে-ও দেখতে দেখতে এক বছর পেরিয়ে দেড় বছর হয়ে গেল, আর তেমন করে কোথাও বেরনো হয়ে উঠছিল না। জীবনে অন্যান্য জটিলতা ক্রমেই বেড়ে যেতে লাগল, আর তেমন করে নতুন কোনও নিরুদ্দেশের দিকে বেড়াতে যাবার প্ল্যান ক্রমেই জীবনের প্রায়োরিটি লিস্টের নিচের দিকে … More বরফ ঢাকা স্পিতি – প্রথম পর্ব